18+
বার ঘাটের অভিজ্ঞতার ঝুলি ওয়ালী এক ছেড়ীর বিয়া হইব এক চেংড়া পুলার লগে। ছেড়ীর বান্ধবী বুদ্ধি দিল বাসর রাইতে আসল কামের সময় বেশী বেশী কইরা চিল্লাবি। তাইলে তোর জামাই মনে করব তুই অখনও ইন্টেক আছস।
তো বাসর রাইতের আসল সময়ে ওই ছেড়ী অনেক্ষন চিল্লানির পর খিয়াল কইরা দেখে আমাগো চেংড়া আরও জুরে চিল্লাইতাছে।
তখনে ছেড়ী জিগায় – “চিল্লানির কথা আমার, কারন এই কাম আমার জীবনে পরথম বার হইতাছে। তুমি আবার চিল্লাও কা? “
চেংড়া জবাব দেয় – “এই নাকি তুমার পরথম? আরে আমার আসল জিনিস সহ দুই পা তুমার নালায় ঢুইকা গেছে তাই চিল্লাই। “
এক পুলিশ হাইয়েতে যাচ্ছে। পথের মধ্যে দেখে এক লোককে ন্যাংটা করে কেউ গাছে সাথে বেধে রেখেছে। লোকটা কাদছে। পুলিশ গাড়ি থামাল। লোকটার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
-আপনার কি হইছে?
- আজকে আমার দিনটাই খারাপ। সকালে বউয়ের সাথে ঝগড়া হল। গাড়ি নিয়ে বের হলাম,ওভার স্পীডের জন্য জরিমানা দিলাম। পথের মাঝে একলোককে লিফট দিলাম। অই ব্যাটা গাড়িতে উঠে আমার আমার বুকে বন্দুক ধরল। সে আমার সব টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। আমার জামা কাপড় নিয়ে গেছে। আমার গাড়িটাও নিয়ে গিয়ে আমাকে গাছের সাথে বেধে রেখে গেছে।
পুলিস সব শুনে একটু চিন্তা করল। এরপর নিজের প্যান্ট খুলা শুরু করল। লোকটা বলল, কি করছেন আপনি?
পুলিশ মুচকি হেসে বলল, “ হ! আজকে আপনার দিনটাই খারাপ”
জামাই বউ এসেছে ডাক্তার কাছে।
ডাক্তার বলল, কি হইছে?
বউ জামাইকে দেখিয়ে রাগী রাগী মুখে কয়, সে ত ৩০০% অক্ষম হয়ে পড়ছে।
-৩০০%? বুঝলাম না…
-১০০% অক্ষম কিভাবে সেটা ত আইডিয়া করতেই পারছেন তাই না? এরপর শুনেন। সে তার জিহবা পুড়ে ফেলছে আর আঙ্গুল ভেঙ্গে বসে আছে।
এক রেড ইন্ডিয়ান বৃদ্ধ আর অল্প বয়সের তরূনী এসেছে হাসপাতালে। মেয়েটার বাচ্চা হবে। ডাক্তার বাচ্চা ডেলিভারি দেয়ার পর, বুড়াকে জিজ্ঞেস করল, এই বয়সে পোলার বাপ… ক্যামনে পারেন আপনি?
হে হে হে… পুরান ইঞ্জিনেও কাম চলে।
পরের বছর আবার বাচ্চা হলো। এইবারো ছেলে। ডাক্তার জিজ্ঞেস করল, আপনার কি স্পেশাল কোন মেডিসিন জানা আছে? ক্যামনে করতাছেন এই কাজ?
হে হে হে… পুরান ইঞ্জিন এখনো নষ্ট হয় নাই।
পরের বছর আবার বাচ্চা হবে। এইবারও ছেলে। ডাক্তার বের হয়ে এসেছে। তাকে দেখেই বৃদ্ধ বলল, হে হে হে…পুরান ইঞ্জিন কাজ করতাছে…
ডাক্তার বলল, হুমম… তয় মনে হয় তেল পাল্টাতে হবে। এইবারের ছেলে ত নিগ্রো।
জিরাফ মাত্র গাজার কল্কেতে একটান দিয়েছে, এমন সময় খরগোশ হাজির। ছিঃ জিরাফ। এইটা কি করছো?
জিরাফ কিছু বলে না।
খরগোশ বলে, এরচে চলো বনের ভিতর একটু দৌড়াদৌড়ি করি, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
জিরাফ গাজার কল্কে রেখে দিয়ে খরগোশের সাথে দৌড়াতে শুরু করল। তারা দুইজন দৌড়াতে দৌড়াতে একজায়গায় এসে ভালুকের সাথে দেখা। ভালুক শিরায় সুই ফুটাচ্ছে।
ছিঃ ভালুক।
ভালুক চুপ করে থাকে।
- তোমার শরীরের জন্য ড্রাগ খারাপ। এরচে বরং চলো বনের ভিতর একটু দৌড়াই। রক্ত চলাচল বাড়ুক।
তিনজন দৌড়াচ্ছে…
বাঘের সাথে দেখা। বাঘ মাত্র আফিম নেয়ার জোগাড় যন্ত্র রেডি করছে।
-ছিঃ বাঘ ।
বাঘ কিছু বলে না।
-এইসব ছাইপাশ না নিয়ে, বরং একটু দৌড়াই চলো…
বাঘ এই কথা শুনেই খরগোশকে ধরে মারতে লাগল। ভালুক আর জিরাফ এসে তাকে থামাল। শেষবারের মত খরগোশকে একটা লাথি মেরে সে বলল, তুই আজকে জাস্ট বাইচ্যা গেলি।
ভালুক বলল, ছিঃ বাঘ। খরগোশ ত ভালো কথা বলছে।
হ!! হারামজাদা যখনই ইয়াবা খায়, আমারে ফুসলাইয়া নিয়া আদ্ধেক বন দৌড়ায়।
বাঙ্কে বেশ বড় একটা লাইন। ডেস্কে বসে যে মেয়েটা টাকা ও চেক জমা নিচ্ছে সে কানে হেডফোন লাগিয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলছে। ফাকে ফাকে কাজ করছে। লাইনে যারা দাঁড়িয়ে আছে সবাই বিরক্ত।
একজনকে দেখে মনে হল তার বিরক্তির সীমা নাই। একটু পরপর বলছে, আর কত দাঁড়িয়ে থাকব? ভালো লাগেনা।
এক পর্যায়ে তার ধৈর্যচ্যুতি হল। সে লাইন ভেঙ্গে সবার সামনে এসে মেয়েটাকে বলল, তাড়াতাড়ি করেন। আমি সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকতে পারব না।
মেয়েটা হেডফোন সরিয়ে বলল, লাইন ধরেন।
-বালের লাইন ধরব আমি।
-বাজে কথা বলবেন না।
- মাগী তুই আমার চেক নিবি কিনা সেটা বল।
-খবরদার। আপনি বাজে ভাষা ব্যবহার করছেন। আমি ম্যানেজারকে ডাকতে বাধ্য হব।
-কুত্তী! যা তোর ম্যানেজারকে ডাক।
মেয়েটা ম্যানেজারকে ঠিকই ডেকে আনল। ম্যানেজার এসেই বলল, খারাপ ভাষায় কথা বলছেন কেনো? এইখানে সবাই সম্ভ্রান্ত লোক। আজেবাজে লোকদের এই ব্যাঙ্কে কোন কাজ থাকে না। এখন বলুন আপনার সমস্যা কি?
-আমি দশ কোটি টাকার এই চেকটা জমা দিতে এসে গত দেড় ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি।
ম্যানেজার চেকটা হাতে নিল। টাকার অঙ্ক দেখল। ছোট্ট একটা শিস দিল। এরপর বলল, আপনি চেক নিয়ে এসেছেন, আর এই মাগী আপনার চেক জমা নিচ্ছে না?
বাংলাদেশের অঞ্চলভিত্তিক জোকস।
চট্টগ্রামঃ
চিটাগাংগে পাখী নাকি এক পাখা দিয়ে উড়ে।![]()
……………….
চিটাগাংগে কারও পকেট থেকে কয়েন পড়ে গেলে পা দিয়ে ঠেলে সীমানার বাইরে নিয়ে আসে তারপরে তোলে।![]()
………………….
এতীমখানা মাদ্রাসার হুজুর রাতের বেলা ঘুমন্ত তালেব এলেমের লুঙী সাইজ করতেছে, ছাত্র টের পেয়ে বলল, হুজুর কি করেন, আল্লার আরশ কাঁপি উইঠব। হুজুর ধমক দিয়ে বলল, জুত করি হুতি থাক, আল্লার আরশ দূরের কথা, খাটও কাঁইপত ন।
…………………
চট্টগ্রামের এক ভদ্রলোক অফিস থেকে ছুটিতে বাড়ি এসেছে, এদিকে অফিস থেকে জরুরী তলব, তাড়াতাড়ি চলে এস। সে বসকে বলল, বস রেড সিগন্যাল, কয়েকদিন দেরী হবে, বসও চিটাগাংয়ের বলল, আমারে বুঝাও, *** সাইডে কাজ সেরে তাড়াতাড়ি চলে আস।![]()
……………..
দইজ্জার কূলে এক বটগাছ, গাছের পাতা পানিতে পড়লে কুমীর, ডাঙায় পড়লে বাঘ। একলোক জানতে চাইল, হুজুর যদি অর্ধেক পানিতে আর অর্ধেক ডাঙায় পড়ে তাহলে কি হয়? হুজুর রেগে বলল, আঁই আগেই কইছি, কোন নোয়াখাইল্লা থাকলে আঁই ওয়াজ ন করি।
………………….
নোয়াখালীঃ
নোয়াখালী নিয়ে জোকসের অভাব নাই।
কনেদেখা চলছে, ছেলের বাবা জানতে চাইল, তা মেয়ের ফুটু আছে তো? মেয়ের বাবা, অবশ্যই, দেখতে চান।
রান্না-বান্না বিষয়ে জানতে চাইলেন, মেয়ে ফাক সাক করতে জানে? (এমনিতে ‘প’ রে ‘হ’ বলে, কিন্তু শুদ্ধ করে বলার সময় ‘ফ’ বলে)
তা আর বলতে,বিয়ের পরে নিজের চোখেই দেখবেন।![]()
……………..।
চাপাবাজির প্রতিযোগীতা, অন্য জেলার লোক যতই চাপা মারে মিটারে তেমন রীডিং হয় না। নোয়াখালীর লোক মাত্র শুরু করছে, আমাদের গ্রামে এক ভদ্রলোক…., বলামাত্র মিটার বার্স্ট করল।
……..
খুবই বিখ্যাত,
হেণী কলেজের টেঁয়া লই চুদুর বুদুর চইলত ন, চইলত ন।![]()
হেণী, কুত্তা রইছে রেণী।
……………..
সিলেটঃ
ক্লাসে স্যার পড়াচ্ছেন, ইংরেজিতে মোট তিন রকমের ঘুরা আছে Turn মানে হইল প্যাঁচাইন্না ঘুরা, Horse দৌড়াইন্না ঘুরা আর Powder হল ঘুরা ঘুরা।
……………….
নরসিংদীঃ
গুলাবি রংয়ের গুল গুল গুলআলুর জন্য বিখ্যাত।
ঢাকাঃ
দোস তোরা কিছু ক , খানকির পোলারে নইলে গাইল দিমু কইলাম।
……..
এই মিয়া টমটম, দচ ট্যাকা দিমু সদরঘাট চল। আস্তে কন নইলে আমার ঘোড়ায় ভী হাসব।![]()
…………………….
এইহান থেকে দেখা যায় তাও বিশটাকা ভাড়া চাও ক্যালায়?
টমটমওয়ালাঃ এইহান থে তো চাঁদ ভী দেহা যায়।![]()
…………….।
ঘাটাইল, ডুবাইল,ভাসাইল,টাঙ্গাইল।
………..।
ব্রাসেলসঃ
তোমার কথা শুনলে আমার মাথার পেত্যেকটা স্নায়ু ব্যথা করে।
………
মোগের বরিশালে বেশ্বাবেদ্যালয় দেতে হবে, দে দাও, সরকারের ঠেকা পড়ছে ঐ জিনিস দিতে।![]()
………
বরিশালে স্প্রীং এবং উইন্টার এই দুই সেমেস্টার চলতে পারে কিন্তু কোনভাবে সামার স্কুল চালানো যাবে না।![]()
…………
বড় ধরনের কোন গুণাহ না করলে বরগুনায় কারও পোস্টিং হয় না।
…………
ফরিদপুরঃ
চোর চোট্টা পাটালিগুড়, এই তিন নিয়ে ফরিদপুর।
উত্তরবঙ্গঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা অনেকে শহরে ম্যাসে থাকে, কাজের বুয়ারা এসব ম্যাসে রান্নাবান্না করে দেয়, বুয়াদের তারা খালা ডাকে। খালা ভাত দাও, খালা রান্না হইছে ইত্যাদি। ক্ষুধার্ত ছাত্ররা কখনও হয়ত খালার সাথে কামও শুরু করে, তখন খালা বলে, খালা খালা বুইলছ, আবার মুতের জায়গায় হাত দিচ্ছ।![]()
![]()
………….
সংসদে পঞ্চগড়ের সাংসদের আহাজারি, বোদার আঙুলদিয়া ইউনিয়ন শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে যাচ্ছে, পানি নাই। স্পীকার সাংসদকে আশ্বস্ত করার জন্য বলছেন, মাননীয় সাংসদ আপনার বোদায় পানি দেয়ার ব্যবস্হা করা হবে।![]()
বাবুর বড় বিপদ, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ প্রত্যঙ্গ নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতিমিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে।
দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, “এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের ভেতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা!”
বাবু ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, “ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে। কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, “ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু ১৫-তে নেমে এলো।
উল্লসিত বাবু আবারো জিজ্ঞেস করলো, “বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
এবার উত্তর এলো, “এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!”
